জার্মান পার্লামেন্টে একটি কঠোর অভিবাসন আইন পাসে খসড়া বিল আনেন ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন(সিডিইউ) এর চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী ফ্রিডরিখ মেরৎস। আর অতি ডানপন্থি অলটারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) এই বিলে সমর্থন দেয়।
বিষয়টিকে সহজ ভাবে নেয়নি উদারপন্থি জার্মানরা। এই বিল আনার প্রতিবাদে সিডিইউ-এর সদরদপ্তরের সামনে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে।
বিতর্কিত এই প্রস্তাবটিতে সমস্ত প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে স্থায়ী সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং আশ্রয়ের জন্য অনুরোধ করলেও সীমান্ত থেকেই অভিবাসীদের ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বর্তমান আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এমন প্রস্তাব।
পাবলিক ব্রডকাস্টার এআরডি এর সাম্প্রতিক ডয়চলান্ডট্রেন্ড জরিপ অনুসারে, জার্মান জনগণের একটি বড় অংশ অভিবাসন নীতি কঠোর করার পক্ষে৷ তবে, এএফডি এর সঙ্গে মিলে কোনো জোটগত চুক্তি করার বিপক্ষেও বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ জনমত রয়েছে।
এএফডির সাহায্য নিয়ে খসড়া বিল পাস করানোর চেষ্টার পর সিডিইউয়ের প্রবল সমালোচনা করেন চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎস। গ্রিন পার্টি এবং অনেকগুলো মানবাধিকার সংগঠন ও চার্চও এর সমালোচনা করেছে। তাদের বক্তব্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সমঝোতা হয়েছিল, অতি ডানপন্থিদের সঙ্গে সমন্বয় করে কেউ চলবে না। সেই সমঝোতা ভেঙেছে সিডিইউ।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে হাতিয়ার করে নাৎসিদের উত্থানের কথা মাথায় রেখে তারা এই সমঝোতা করে।
এখনো পর্যন্ত জার্মানির প্রধান রাজনৈতিক দলগুলি এই সমঝোতা মেনে চলেছে।
সূত্র: ডয়চে ভেলে